Showing posts with label ইসলাম ধর্ম. Show all posts
এই দোয়াটি পড়ে বাড়ি থেকে বের হলে ৭০ হাজার ফেরেস্তা চারদিক থেকে রক্ষা করে!!
পবিত্র কোরআন শুধু কোনো ধর্মগ্রন্থ নয়। মানব জীবনের সকল সমস্যার সমাধান দিতে পারেন কেবল পবিত্র কোরআনে কারীম।
পবিত্র কোরআনের সূরা তুল বাকারায় এমন একটি আয়াত রয়েছে যেটি নিয়মিত পাঠ করলে ঘরে দারিদ্রতা প্রবেশ করতে পারে না। এই আয়াতকে বিশেষ দোয়াও বলা হয়ে থাকে।
দেখে নিন আয়াতটির (আয়াতুল কুরসি) আরবি উচ্চারণ:
اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ لَهُ مَا فِي السَّمَوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ
বাংলা উচ্চারণঃ আল্লাহু লাইলাহা ইল্লাহুওয়াল হাইয়্যুল ক্বইউম, লাতা’খুযুহু সিনাতুওঁ
ওয়ালা নাওম, লাহু মাফিস্* সামাওয়াতি ওয়ামা ফিল আরয। মানযাল্লাযি ইয়াশ্*ফাউ ইন্*দাহু ইল্লা বিইযনিহ।
ইয়ালামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইউহীতূনা বিশাইয়িম মিন ইলমিহি ইল্লা বিমাশাআ ওয়াসিয়া কুরসিয়্যুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরযা, ওয়ালা ইয়াউদুহু হিফযুহুমা ওয়াহুওয়াল আলিয়্যুল আযীম। (সূরা বাকারঃ ২৫৫)
বিয়ের পরে মেয়েরা চুড়ি বা নাকফুল না পরলে কি স্বামীর হায়াত কমে যায়?
প্রশ্ন: আমাদের সমাজে একটি প্রথার প্রচলন রয়েছে যে, মেয়েদের জন্য হাতে চুড়ি ও নাকে নাক ফুল পড়া বাধ্যতামূলক। হাতে চুড়ি ও নাকে নাক ফুল না পরলে স্বামীর হায়াত কমে যায়,এমন বিশ্বাস অনেকের।
আমার প্রশ্ন হলো, মেয়েরা কানে ও নাকে কি ছিদ্র করে গহনা পরতে পারবে? আর উপরের ধারণাগুলো কী সঠিক, নাকি কুসংস্কার?
উত্তর: ফিক্বাহ শাস্ত্রের নির্ভরযোগ্য কিতাবাদি অধ্যয়নে একথাই প্রমাণিত হয় যে, মেয়েরা কান ও নাক ছিদ্র করে গহনা পরতে পারবে।
কেননা কানে গহনা পরার রীতি নবী করীম (সা.) জীবিত থাকা অবস্থায়ও ছিল, তথাপি তিনি এটি নিষেধ করেননি।
প্রশ্নে উল্লিখিত ধারণাটি ভ্রান্ত, কুসংস্কার ও আল্লাহ তায়ালার কালামে পাকের বিপরীত। কারণ আল্লাহ তায়ালা সমস্ত মানুষের হায়াত নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। সে সময়ের পূর্বে বা পরে কারো মৃত্যু হবে না।
তাই ঐ সমস্ত ভ্রান্ত ধারণা পরিত্যাগ করা অপরিহার্য। [আদ-দুররুল মুখতার মাআ শামী- ৯/৬০২, ফাতওয়া হিন্দিয়া-
৫/৩৫৭,আল-বাহরুর রায়েক- ৯/৩৭৫, আহসানুল ফাতওয়া- ৮/১৯২, ফাতওয়া মাহমুদিয়া- ২৮/৩৫] সৌজন্যে: মাসিক মুঈনুল ইসলাম
দাজ্জাল মারা যাওয়ার পরে পৃথিবীর অবস্থা যেমন হবে এবং যতদিন পরে পৃথিবী ধ্বংশ হবে
দাজ্জাল মারা যাওয়ার পরে- দাজ্জাল মারা যাওয়ার পরে পৃথিবীর অবস্থা কেমন হবে, কতদিন পরে পৃথিবী ধ্বংশ হবে ।
আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে দাজ্জালের আভির্ভাব হবে।
সে চল্লিশ-আমি জানি না চল্লিশ দিবস, না মাস, না বছর-অবস্থান করবে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ঈসা ইবনে মারইয়াম আলাইহিস সালাম কে পাঠাবেন। তাকে দেখতে উরওয়া ইবনে মাসউদের মত মনে হবে। তিনি দাজ্জাল-কে খোজ করবেন ও হত্যা করবেন।
এরপর মানুষ সাত বছর এমনভাবে কাটাবে যে দুজন মানুষের মধ্যে কোন শত্রুতা থাকবে না। এরপর আল্লাহ রাব্বুল আলামীন উত্তর দিক থেকে হিমেল বায়ু প্রেরণ করবেন।
যাদের অন্তরে অনু পরিমাণ ঈমান রয়েছে তারা সকলে এতে মৃত্যু বরণ করবে। ঈমানদার ও ভাল মানুষের কেহ বেঁচে থাকবে না। যদি তোমাদের কেহ পাহাড়ের সুরক্ষিত গুহায় প্রবেশ করে তাকেও এ বাতাস পেয়ে বসবে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে আরো শুনেছি যে, দুরাচারী মানুষগুলো অবশিষ্ট থাকবে পাখির মত দ্রুত আর বাঘের মত হিংস্র।
তারা ভালকে ভাল হিসাবে জানবে না আর মন্দ-কে মন্দ মনে করবে না। শয়তান মানুষের আকৃতিতে তাদের কাছে এসে বলবে তোমরা ভাল কাজে সাড়া কেন দাও না?
তারা বলবে তুমি আমাদের কী করতে বলো? সে তাদের মুর্তির উপাসনা করতে আদেশ করবে। তারা সুন্দর জীবনোপকরণ নিয়ে জীবন যাপন করবে। অতঃপর একদিন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে।
(তখন সব কিছু ধ্বংস হয়ে যাবে) এরপর একদিন প্রচন্ড বৃষ্টি বর্ষিত হবে। এ বৃষ্টির কারণে মানুষের দেহগুলো উদ্ভিদের মত উত্থিত হবে। এরপর আবার শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে তখন মানুষেরা দাড়িয়ে যাবে ও এদিক সেদিক তাকাতে থাকবে।
তারপর বলা হবে হে মানব সকল! তোমাদের প্রতিপালকের দিকে আসো। তোমরা দাড়িয়ে যাও, তোমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এরপর আল্লাহ তাআলা বলবেন,
জাহান্নামীদের বের করে আনো। জিজ্ঞাসা করা হবে কত জন থেকে কত জন বের করে আনবো? উত্তর দেয়া হবে, প্রত্যেক হাজার থেকে নয় শত নিরানব্বই জনকে বের করে নাও।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, সেটিই এমন দিন যা শিশুদের বৃদ্ধ করে দেবে। আর এ দিনটিতে আল্লাহ তাআলা নিজ পায়ের গোছা উম্মুক্ত করবেন
সন্তান লাভের আশায় কোনো মাজারে মান্নত করা যাবে কি না?
দীর্ঘ দিন পর্যন্ত আমাদের কোনো সন্তান হচ্ছিল না। ফলে আমার স্বামী মান্নত করলেন যে, আমাদের সন্তান হলে আমরা তাকে নিয়ে শাহজালাল রাহ.-এর মাযার যিয়ারত করতে যাব এবং সেখানকার গরীবদেরকে একটি গরু জবাই করে খাওয়াব। সন্তান লাভের আশায় ভণ্ড গুরু নারীদের সাথে কি করছে দেখুন এই ভিডিওটিতে:
আল্লাহ তাআলার মেহেরবানীতে আমাদের একটি কন্যা সন্তান হয়েছে। কিন্তু আমার স্বামী বিদেশ চলে যাওয়ার দরুণ মাযারে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আপনার স্বামী মাযারে যাওয়ার মান্নত করে ঠিক কাজ করেননি। এ ধরনের মান্নত শরীয়তে নিষিদ্ধ।
তবে গরীবদেরকে গরু জবাই করে খাওয়ানোর যে মান্নত করা হয়েছে তার জন্য একটি গরু জবাই করে গরীব-মিসকীনকে খাইয়ে দিতে হবে অথবা এর গোশত তাদেরকে বিলিয়ে দিতে হবে।
হযরত আয়েশা রা. থেকে বর্ণিত একটি হাদীসে আছে, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার কোনো ইবাদতের মান্নত করে সে যেন তা পুরা করে।
আর যে কোনো গুনাহর মান্নত করে সে যেন তা থেকে বিরত থাকে। (সহীহ বুখারী ২/৯৯১) উল্লেখ্য, মাযারে গিয়ে গরু জবাই করার মান্নত করা ঠিক নয়। কেননা, বর্তমানে মাযারগুলোতে নানাপ্রকার শিরকী ও বিদআতী কাজ হয়ে থাকে।
যার কারণে এসব মাযারে গিয়ে পশু জবাই করে খাওয়ানোর ইচ্ছা করা কিছুতেই বাঞ্ছনীয় নয়। এক্ষেত্রে আপনারা একটি গরু জবাই করে নিজ এলাকার বা আশপাশের অথবা অন্য কোনো স্থানের গরীব-মিসকীনের মাঝে গোশত বণ্টন করে দিয়ে মান্নত আদায় করতে পারেন। মাযারে গিয়ে জবাই করবেন না।
[আদ্দুররুল মুখতার ২/৪৩৯; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ৬/২৮৬] গ্রন্থনা ও সম্পদানা : মাওলানা মিরাজ রহমান সূত্র : মাসিক আল-কাউসার
আল্লাহ তাআলার মেহেরবানীতে আমাদের একটি কন্যা সন্তান হয়েছে। কিন্তু আমার স্বামী বিদেশ চলে যাওয়ার দরুণ মাযারে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আপনার স্বামী মাযারে যাওয়ার মান্নত করে ঠিক কাজ করেননি। এ ধরনের মান্নত শরীয়তে নিষিদ্ধ।
তবে গরীবদেরকে গরু জবাই করে খাওয়ানোর যে মান্নত করা হয়েছে তার জন্য একটি গরু জবাই করে গরীব-মিসকীনকে খাইয়ে দিতে হবে অথবা এর গোশত তাদেরকে বিলিয়ে দিতে হবে।
হযরত আয়েশা রা. থেকে বর্ণিত একটি হাদীসে আছে, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার কোনো ইবাদতের মান্নত করে সে যেন তা পুরা করে।
আর যে কোনো গুনাহর মান্নত করে সে যেন তা থেকে বিরত থাকে। (সহীহ বুখারী ২/৯৯১) উল্লেখ্য, মাযারে গিয়ে গরু জবাই করার মান্নত করা ঠিক নয়। কেননা, বর্তমানে মাযারগুলোতে নানাপ্রকার শিরকী ও বিদআতী কাজ হয়ে থাকে।
যার কারণে এসব মাযারে গিয়ে পশু জবাই করে খাওয়ানোর ইচ্ছা করা কিছুতেই বাঞ্ছনীয় নয়। এক্ষেত্রে আপনারা একটি গরু জবাই করে নিজ এলাকার বা আশপাশের অথবা অন্য কোনো স্থানের গরীব-মিসকীনের মাঝে গোশত বণ্টন করে দিয়ে মান্নত আদায় করতে পারেন। মাযারে গিয়ে জবাই করবেন না।
[আদ্দুররুল মুখতার ২/৪৩৯; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ৬/২৮৬] গ্রন্থনা ও সম্পদানা : মাওলানা মিরাজ রহমান সূত্র : মাসিক আল-কাউসার
শয়তান নিজে এসে যে ৩টি গুনাহ্ মানুষদের দ্বারা করিয়ে থাকে! জেনে নিন আপনিও আছেন কিনা ঐ তালিকায়
শয়তান নিজে এসে যে ৩টি গুনা মানুষদের দ্বারা করিয়ে থাকে! জেনে নিন আপনিও আছেন কিনা ঐ তালিকায়। শয়তান এমন এক জিনিস যে এককালে আল্লাহ্ভক্ত ছিলেন আল্লাহ্র সাথে নাফরমানী করায় তার এই পরিস্থিতি আর আল্লাহ্র কাছে পাওয়া এক প্রতিশ্রুতির কারণেই আল্লাহ্ তাআলা তাকে কিছু বলে না।
শয়তান নিজে এসে যে ৩টি গুনাহ্ মানুষদের দ্বারা করিয়ে থাকে! জেনে নিন আপনিও আছেন কিনা ঐ তালিকায় পবিত্র কুরআনে স্পষ্ট উল্লখ করা হয়েছে যে ইবলিশ শয়তান জ্বীনদের একজন।
ছোট্ট এই দোয়াটি শয়তান থেকে আপনাকে নিরাপদে রাখবে আল্লাহ্ তাআলা বলেন “যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বললামঃ আদমকে সেজদা কর, তখন সবাই সেজদা করল ইবলিশ ব্যতীত।
সে ছিল জিনদের একজন। সে তার পালনকর্তার আদেশ অমান্য করল। অতএব তোমরা কি আমার পরিবর্তে তাকে এবং তার বংশধরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করছ?
অথচ তারা তোমাদের শত্রু। উমর (রাঃ) কর্তৃক শয়তান কে আছাড় দেয়ার সেই ঘটনা ! এটা জালেমদের জন্যে খুবই নিকৃষ্ট বদল।” (সুরা আল-কাহফ, ৫০)
মসজিদের ইমামকে মাথা ন্যাড়া করে গাছে বেঁধে মারলো জালেম শয়তানেরা সে কিয়ামত পর্যন্ত এরকম করে যেতে পারবে। আর যারা তার শরীক হবে, আল্লাহ্ তাআলা তাদেরকে দিয়ে তার জাহান্নাম ভরবে।
যারা প্রকৃত পক্ষে আল্লাহ্ভক্ত, শয়তান তাদের ঈমান কক্ষনো নষ্ট করতে পারে না। হে আল্লাহ্, আমাদেরকে শয়তান থেকে হেফাজত করুন! আমিন।
Subscribe to:
Posts
(
Atom
)




