Showing posts with label জী্বনযাপন. Show all posts

মুগ ডাল খান নাকি? তাহলে নিউজটা পড়ুন

No comments


মুগ ডাল পছন্দ না এমন মানুষ পাওয়া কঠিন। প্রোটিন, ফাইবার, ফলেট, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি১, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন বি৫, বি৬ এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ এই ডালটি নিয়মিত খেলে শরীরের কোনও ক্ষতি তো হয়ই না, উল্টে একাধিক উপকার পাওয়া যায়।

মুখ গহ্বর সম্পর্কিত রোগ দূরে থাকে : মুগ ডালে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম এবং আরও সব উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে মুখ গহ্বর সম্পর্কিত যে কোনও সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার সম্ভাবনা যায় কমে।



চুলের সৌন্দর্য বাড়ে : নিয়মিত মুগ ডাল খাওয়া শুরু করলে শরীরের কপারের ঘাটতি দূর হতে শুরু করে, যার প্রভাবে স্কাল্পের স্বাস্থ্যের এত মাত্রায় উন্নতি ঘটে যে একদিকে চুল পড়ার হার কমে, আর অন্যদিকে চুলের সৌন্দর্য বাড়ে চোখে পরার মতো।

অল্প পরিমাণে মুগ ডাল নিয়ে তা বেটে নিয়ে তার সঙ্গে পরিমাণ মতো গ্রিন টি, অলিভ অয়েল এবং টক দই মিশিয়ে যদি চুলে লাগাতে পারেন, তাহলে আরও দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।



অ্যানিমিয়ার মতো রোগ দূরে পালায় : প্রচুর মাত্রায় আয়রন থাকার কারণে নিয়মিত এই ডালটি খেলে শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বেড়ে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই অ্যানিমিয়ার মতো রোগ বেশি দিন শরীরকে কব্জা করে থাকতে পারে না।



হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : আজকের দিনে যুব সমাজের জীবনযাত্রা এমন হয়েছে যে হার্টের রোগে আক্রান্তের সংখ্যাটা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে নিয়মিত মুগ ডাল খাওয়ার প্রয়োজনও বেড়েছে।

কারণ এই ডালটির শরীরে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার একদিকে যেমন রক্তচাপকে স্বাভাবিক মাত্রায় নিয়ে আসে, তেমনি শরীরে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর মধ্যে দিয়ে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।



ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে : কাজের চাপ এবং পরিবেশ দূষণের কারণে অল্প বয়সেই কি ত্বক তার সৌন্দর্য হারাচ্ছে? তাহলে বন্ধু অল্প করে মুগ ডাল নিয়ে তা বেটে নিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিন।

তারপর সেই পেস্ট ভাল করে মুখে লাগান। এমনটা প্রতিদিন করলে ত্বকের অন্দরে ভিটামিন এবং খনিজের ঘাটতি দূর হয়। ফলে ত্বকের সৌন্দর্য ফিরতে সময় লাগে না।

আর যদি একান্তই ফেস প্যাকটি বানাতে সময় না পান, তাহলে নিয়মিত মুগ ডাল খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন স্কিন ধীরে ধীরে খুব সুন্দর হয়ে উঠবে। সেই সঙ্গে বলিরেখাও কমতে থাকবে। ফলে ত্বক হয়ে উঠবে প্রাণবন্ত!



ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : যে যে রোগের কারণে ২১ শতকের পৃথিবীতে সব থেকে বেশি সংখ্যক মানুষের মৃত্যু ঘটছে, তার মধ্যে অন্যতম হল ডায়াবেটিস। তাই তো চিকিৎসকেরা ছোট থেকে বড় সবাইকেই মুগ ডাল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।

মুগ ডাল শরীরে প্রবেশ করার পর দেহের অন্দরে এমন কিছু খেল দেখাতে শুরু করে যে ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। তাই তো যাদের পরিবারে এমন মারণ রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের বেশি করে মুগ ডাল খাওয়া উচিত।



পেটের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : বেনিয়মে খাওয়া-দাওয়া করার কারণে বদ-হজম বাঙালির রোজের সঙ্গী। সেই সঙ্গে মাঝে মাঝে লেজুড় হয় গ্যাস-অম্বলও। এই কারণেই তো পেটুক মানুষদের প্রতিদিন নানাভাবে মুগ ডাল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরো।

এই ডালটিতে বেশ কিছু উপকারি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করার পর বিশেষ ধরনের কিছু ফ্যাটি অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, যা পাকস্থলির কর্মক্ষমতা এতটা বাড়িয়ে দেয় যে বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

হাড় শক্তপোক্ত হয় : ডাল খেলে হাড় শক্ত হয়? একেবারেই। আর কেন হবে নাই বা বলুন! মুগ ডালে ঠেসে ঠেসে ভরা রয়েছে ক্যালসিয়াম। আর এই খনিজটি যে হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা নেয়, তা কী আর বলে দিতে হবে।

তাই বুড়ো বয়সে যদি কোমর এবং হাঁটুর যন্ত্রণায় কষ্ট পেতে না চান, তাহলে এখন থেকেই নিয়মিত মুগ ডাল খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে।



ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে : মুগ ডাল খাওয়া মাত্র কলেকসিস্টোকিনিন নামক এক ধরনের হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এই হরমোনটির উৎপাদন যত বাড়তে থাকে, তত ক্ষিধে কমতে থাকে।

তখন মনে হয় যেন পেটটা অনেক ভরে গেছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই খাওয়ার পরিমাণ কমতে থাকে। আর খাবার কম খেত খেতে ওজনও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

বাচ্চার হাতে কিসমিসের প্যাকেট তুলে দিয়ে তাদের ক্ষতি করবেন না, সাবধান !

No comments

আপনার বাচ্চাকে খুশি করতে মাঝে-মাঝেই সুযোগ পেলে কিসমিস কিনে এনে দেন প্যাকেট ভর্তি? তার হাত থেকে নিয়ে নিজেও দু-চারটে খেয়ে ফেলেন টাপাটপ করে? 

ভাবেন কিসমিসে অনেক অনেক ভিটামিন আছে। সেটা খেলে আপনার বাচ্চা খুব ভাল থাকবে?


তাহলে আপনি খুবই ভুল ভেবে এসেছেন এতদিন। বাচ্চার হাতে প্যাকেট প্যাকেট কিসমিস তুলে দিচ্ছেন মানে, আসলে তার ক্ষতিই করছেন। এমনটাই জানাচ্ছেন এখনকার ডাক্তাররা।


স্যালফোর্ডের বিখ্যাত দাঁতের ডাক্তার সারা সাবির। তিনি বলছেন, বাচ্চা বেশ কিসমিস খাচ্ছে মানে, তার দাঁতের দফারফা। আজ নয়তো কাল, খুব শিগগিরি দাঁতগুলো নষ্ট হয়ে যেতে বসেছে তার।


কিসমিস তো বটেই বেশিরভাগ ড্রাই ফুডেই আপনার বাচ্চার দাঁতগুলো নষ্ট হয়ে যাবে। একটা ছোট কিসমিসের প্যাকেটে যতটা কিসমিস থাকে, তাতে হিসেব করে দেখা গিয়েছে, অন্তত ৮ চামচ চিনি থাকে তাতে। 

একটা চার থেকে পাঁচ বছরের বাচ্চার কিছুতেই ছয় চামচের বেশি চিনি খাওয়া উচিত নয় এক দিনে। তাই ৮ চামচ চিনি খেলে, তার দাঁত তো নষ্ট হবেই।


তাই আজ থেকে বাচ্চাকে খুশি করতে গিয়ে মোটেই কিসমিস খাওয়াবেন না। আপনার বাচ্চা ফোকলা হয়ে গেলে ভাল লাগবে? দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম বোঝা উচিত। এ তো কবেকার প্রবাদ।

মেয়েদের নতুন বন্ধু “মেন্সট্রুয়াল কাপ”; জিনিসটি আসলে কি…?

No comments
প্রায় দু-তিন বছর আগেই মুম্বাই, পুনে, দিল্লি, হায়দ্রাবাদ ও বেঙ্গালুরুতে মেন্সট্রুয়াল প্যাডের বিকল্প চলে এসেছিলো। তবে কিছুটা দেরি হলেও, মেয়েদের মেন্সট্রুয়াল জনিত সমস্যা কমাতে তার বিকল্প স্বরূপ এই আধুনিক বিকল্পের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছে আমাদের রাজ্যও।

এই রাজ্যের মহিলাদের একটি অংশ দিব্যি ব্যবহার করছেন এই কাপ। অনালাইনে অর্ডার দিলেই পাওয়া যাবে এটি। কলকাতা ছাড়াও শিলিগুড়ি, বর্ধমান, বীরভূম, দুর্গাপুর প্রভৃতিতেও শিক্ষিত মহিলাদের একাংশ এবং কর্মরত মহিলারা ব্যবহার করছেন এটি।

কিন্তু “মেন্সট্রুয়াল কাপ” জিনিসটি আসলে কি? কেমন দেখতে? এবং তার ব্যবহারই বা কিরকম? অনেক প্রশ্নই আছে। উত্তর মিলবে ধীরে ধীরে। কাপটি রবার বা সিলিকনের তৈরী। দেখতে কিছুটা ছোট ফানেলের মতো।

এটিকে ভাঁজ করে যোনিপথ দিয়ে ঢুকিয়ে ব্যবহার করা হয়। যোনিপথ দিয়ে ঢুকে গিয়ে এটি ছাতার মতো খুলে গিয়ে জরায়ুর মুখে আটকে যায়। ঋতুস্রাবের সময় এর মধ্যেই গিয়ে জমা হয় ঋতুকালীন রক্ত। প্রায় ৮-৯ ঘন্টা পর পর তা বের করে পরিষ্কার করে আবার আগের মতো ব্যবহার করা যায়।

নির্মাতা সংস্থাগুলকির মোতে, ঠিকমতো ব্যবহার করতে পারলে এক একটি কাপ ৮-১০ বছর ও চলে। এর মূল্য ৪০০ টাকা থেকে শুরু করে ১২০০, আবার বিদেশী কাপ হলে তার দাম ২০০০ থেকে ৭০০০ এর মধ্যে থাকে।

এখনো পর্যন্ত ভারতের ৪-৫ টি সংস্থা এই উদ্যোগ নিয়েছে। গত এক-দেড় বছরে পশ্চিমবঙ্গে এই কাপের বিক্রিও বেড়েছে। মাসে ২৫০ টি বিক্রি হয়ে থাকলে তার মধ্যে অন্তত ১২-১৩ টি পশ্চিমবঙ্গে বিক্রি হয়েছে।

বারবার ন্যাপকিন কেনা, বারবার বদলানো এবং ফেলতে যাওয়া এসব থেকে মুক্তি মিলবে মেয়েদের। যদিও এদেশে এখনো অনেক মেয়ে মাসে মাসে স্যানিটারি ন্যাপকিন কিনতে পারেননা। সুতরাং, মেন্সট্রুয়াল কাপ আপাতত একটি ছোট অংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

তবে স্ত্রী-রোগ বিশেষজ্ঞরা এই জিনিসটিতে ঠিকমতো সন্তুষ্ট নন। হাইজিন বা পরিচ্ছন্নতা নিয়ে তাদের চিন্তা। গরম-আর্দ্রতা-ধুলোময়লা জনিত ভারতীয় ক্লাইমেট বারবার আঙ্গুল ঢুকিয়ে কাপটি যোনিপথে প্রবেশ করানো খুইব একটা নিরাপদ মনে করছেননা তারা।

মহিলারা তাদের হাত এবং জরায়ু সব সময় পরিষ্কার না রাখলে সংক্রমণ হওয়ার আশংকা থাকে। আবার কাপটিকে বারবার সাবান দিয়ে ধুলে জরায়ুতে সংক্রমণের আশংকা থেকে যায়।

ফলে বারবার তাকে গরম জলে ধোওয়া কি আদৌ সকলের পক্ষে সম্ভব হবে? এতে সামান্য রক্ত থেকে গেলেও ব্যাকটেরিয়া-ফাঙ্গাসের আক্রমণ হতে পারে বলে জানিএছেন স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞরা।

দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে মারাত্মক ক্ষতি হয়! জেনে নিন কি বলছে বিজ্ঞান

No comments

দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা ক্ষতিকর কেন, বিজ্ঞান কি বলে? চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষনায় দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যেসব মারাত্মক ক্ষতি হয় আসুন তা জেনে নেই।

(১) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পেটের উপর কোনে চাপ পড়ে না। ফলে দূষিত বায়ু বের হতে পারেনা। বরং তা উপর দিকে উঠে যায়। ফলে অস্থিরতা বাড়ে, রক্ত চাপ বাড়ে, হৃদযন্ত্রে স্পন্দন বাড়ে, খাদ্যনালী দিয়ে বার বার হিক্কা আসতে থাকে।

(২) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলো থলির নিচে গিয়ে জমা হয়। অথচ বসে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলিতে চাপ লাগে ফলে সহজেই ওসব দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায়।

(৩) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে কিডনিতে অতি সহজে পাথর সৃ্ষ্টি হয়।

(৪) দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের বেগ কমতে থাকে।

(৫) যারা নিয়মিত দাড়িয়ে প্রস্রাব করেন তাদের অবশ্যই শেষ জীবনে ডায়াবেটিস, জন্ডিস, কিডনী রোগ হবেই।

(৬) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পরিবেশ দূষিত হয়। সেই দূষিত বায়ু আমাদের দেহে প্রবেশ করে বিভিন্ন জটিল রোগের সৃষ্টি করে।

(৭) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে তার ছিটা দেহে ও কাপড়ে লাগে ফলে তা দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে।

যদি কোন বিশেষ সময়ে হঠাৎ এমন হয়, তাহলে আপনি যে বিরল গুণের অধিকারী

কোনও একটি বিশেষ গান অথবা কোনো বিশেষ কাজে আপনি খুব ব্যাস্ত। গান শোনার সময় কানে হেডফোন, চোখ বন্ধ। আপনার চারপাশে অজস্র কিছু ঘটে চললেও আপনি আর সে সবের মধ্যে নেই।

সম্পূর্ণরূপে গানের মধ্যে ঢুকে গিয়েছেন। সে সময়ে হঠাৎ শরীরে হালকা শিরশিরানি অনুভব করলেন, এমনটা কখনও হয়েছে কি? যদি হয়ে থাকে, মনোবিজ্ঞানিগণ জানাচ্ছেন, আপনি এক বিরল গুণের অধিকারী।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মিরর-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সম্প্রতি অক্সফোর্ড অ্যাকাডেমিক জার্নালে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে বলা হয়,

যদি কোনও গান বা মিউজিক আপনাকে আবেগময় করে তোলে এবং তার জন্য যদি শরীরে আপনি শিহরণ অনুভব করেন, তবে বুঝতে হবে আপনার মস্তিষ্ক আর পাঁচ জনের থেকে আলাদা। কোনও আবেগ বা অনুভূতিকে আপনি যতটা দ্রুত আত্মস্থ করতে পারেন, অন্য কেউ এতটা সহজে সেটা পারে না।

গবেষক ম্যাথিউ স্যাচস জানাচ্ছেন, ‘ক্যাথারসিস’ প্রক্রিয়াটি যাদের খুব শক্তিশালী, তাদের এই ধরনের অনুভূতি হয়ে থাকে।

প্রসঙ্গত, গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল প্রথম ‘ক্যাথারসিস’ শব্দটির উল্লেখ করেন। যে প্রক্রিয়ায় কোনও বিশেষ ঘটনার ফলে মানুষের অবচেতন মনে জমে থাকা কষ্ট, ভয়-ভীতির প্রকাশ ঘটে, সেটিকে বিশেষজ্ঞরা ক্যাথারসিস বলে থাকেন।

এ ক্ষেত্রে গান শুনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়াটাকেও গবেষকরা ও ভাবেই ব্যাখ্যা করছেন। তাঁদের দাবি, গান শোনার সময়ে ওই শ্রোতা অতীতের কোনও একটি ঘটনার কথা ভাবছেন বলেই এমনটা ঘটছে।