Showing posts with label মুক্তমত. Show all posts

বজ্জাতের কোন লজ্জা নাই। কুকুরের মত রুটি খুজে খুজে বিদেশে দৌড়ায় – মিনা ফারাহ্

No comments

বজ্জাতের কোন লজ্জা নাই। কুকুরের মত রুটি খুজে খুজে বিদেশে দৌড়ায় আর ফিরে এসেই সংবাজী সম্মেলন করে পাবলিকের ব্লাড প্রেসার বাড়ায়। আবার ক্যানাডায় গেছে কি করতে?

ফকিরেরও ইজ্জত নিয়ে অহংকার আছে। এই মহিলা দুই দিন পরপর ফালতু কাজে বিদেশে গিয়ে গরীবের লাখ লাখ ডলার ধ্বংস করে। ক্যানাডায় ওর কোন কাজ নাই। কারন ইজ্জত বলে ওর

কিছু নাই।

লবী করে ১ টা টিকেট জোগাড় করেই দৌড়। অথচ কেউ তাকে ১ পয়সারও পাত্তা দেয়নি। এখন ফটোশপ আর ফেক নিউজ দিয়ে যা ইচ্ছা মিডিয়ায় পাঠাবে । আর মহাজ্ঞ্যানী সানগ্লাস কাদের

উয়াজ করবে, বাংলাদেশ আমেরিকারচে উন্নত।

কেন সে এভাবে গরীবের টাকা লুটছে, ফক্রুল তা জানতে চায় না। কিন্তু আমরা জানতে চাই, ক্যানাডায় যাওয়ার কারন কি? আর কতো বিদেশ ফেরত—সংবাজ সম্মেলন?

মিথ্যার রানী হাসিনার নাটকের জবাবে আমরা করব সিনেমাঃ সাদী

No comments
অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্লজ্জ মিথ্যাচার, দেশবাসীকে প্রতারনাঃ এই ছবিটি দিয়ে আজকের এই দিনে ২০১৫ সনে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম যখন গণতন্ত্রের মা’র গাড়িবহর স্বৈরশাসক হাসিনার দলের জঙ্গি হামলার শিকার হয়।

সেই সময় অবৈধ প্রধানমন্ত্রীর মিথ্যাচারটি ধরা পরে যায় ফটো সাংবাদিক বাবুল তালুকদারের প্রকাশ করা ধারাবহিক ছবি গুলোতে।

আজ আমাদের অনেকের কিছু পোস্ট দেখে বলতে হয় নির্লজ্জ মিথ্যাচারি আর স্বৈরাচার প্রতারকদের সাথে নীতি কথা চলেনা। 

ছারপোকার দল, মাথা খায় ছিঁড়ে; কুটকুট করে কুরেকুরে। নীতি কথা দিয়ে ছারপোকার দলকে দমানো যায়না। 

মনে পরে যায় জন লিলির সেই বিখ্যাত উক্তিটি “Everything is fair in love and war” [ভালোবাসা এবং যুদ্ধে সব কিছুই জায়েজ]।


যেই ছারপোকা লীগ মিনিটে মিনিটে নাটক করে তাদের সাথে সিনেমা করতে হবে! যারা আজ ফাটাকেষ্টর ‘যাক ধর্ম, যাক মান, যাক সার্বভৌমত্ব, পা চাটবো, নু-চাটবো সব কিছু বিসর্জন দিয়ে হলেও ক্ষমতায় থাকতে চায়ওয়ার’ ছবিটি দিয়ে পোস্ট দিয়েছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ।

ওরা তো বলতে শুরু করেছে ‘যতদিন হাসিনা বেঁচে আছে সেই ক্ষমতায় থাকবে’। আর কিছু বন্ধুরা লেংটা লীগের এই ছবি আসল না নকল নিয়ে ব্যস্ত? “রাজনীতি সন্যাসব্রত নয়” রাজনীতিতে আসল নকলের ঠেলাঠেলি থাকবেই। 

এর মাঝেই টিকে থাকবে যোগ্য ও মেধাবীরা, ছিটকে পড়বে ময়ূরের পেখম পরা গর্দভগুলো। সুতরাং যারা পীর আউলিয়া সাজতে চান তারা রাজনীতি ছাড়ুন।

জাহিদ এফ সরদার সাদী ,

বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক বৈদেশিক উপদেষ্টা এবং বিএনপির বিশেষ দূত।

খেলার কার্ড এখন জনতার হাতে, আরেকটি পতনের অপেক্ষা য় জাতি

No comments

এক . ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশে, ১৮ কোটি জনগোষ্ঠীর জাতীয় সংসদের ৩০০ টি আসনে আসীন বিনা ভোটের সাংসদরা! সেখানে সমাসীন আছেন স্পীকার, ডিপুটি স্পীকার, সংসদ নেতা, এ সবই আছে কিন্তু নেই কোন বিরোধী দল, নেই বিরোধী কোন মত ও পথ!

 অধিকাংশ সময় টিভির পর্দায় দৃর্শায়িত হয় তন্দ্রায় নিমজ্জিত সাংসদরা! মাঝে মধ্যে অভিনব কায়দায় পালা গান ও কবিতায় সংসদ হয়ে উঠে প্রাণ চঞ্চল এবং পালা গানের সুরে প্রধান মন্ত্রীর গুণগান প্রকাশ পায়। কি আশ্চর্য সংসদ!!

এ ছাড়া সংসদের প্রায় পুরো সময় জুড়ে বিএনপি, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে ঘিরে যতো সব বয়ান। শুধু সংসদে নয়,,,,তাদের মিলাদ মাহফিল থেকে শুরু করে যত প্রকার সভা সেমিনার আছে,সব খানেই এ দলটিকে ঘিরে সব বয়ান। 

এমন কি প্রধান মন্ত্রী থেকে শুরু করে দল নেতারা বিশ্বের যেখানেই যান, সেখানেই এই একই বয়ান। মজার ব্যাপার হলো, এই দল কিন্তু আবার সংসদে নেই, রাজপথেও নেই,কোন জনসভা সেমিনারেও নেই। আবার কোন সভা সেমিনার করতে হলে, কোন অনুমতি ও মিলবে না, হাউ ফানি !!!

 একটি দল এবং দলের নেতার প্রতি কতো ভয় হলে এমন হতে পারে। তা কিন্তু মানুষ সহজেই অনুমেয়।

প্রধান মন্ত্রী সংসদে দাঁড়াইয়াপাঠক মজার বিষয় হলো, যদিও আমরা প্রায়সই রাজনীতিতে বিভিন্ন ধরনের মজার ব্যাপার দেখে থাকি, এ বিষয়টা কিন্তু অনেকটা ভিন্ন,,,,,, প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতালী সফর থেকে ফিরে গণভবনে সংবাদ সন্মেলনে বললেন,” 

বিএনপিতে কি এমন কেউ নেই যে, যাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা যেত। একটা লোক কি খোঁজে পাওয়া গেল না? বিএনপির নেতৃত্বে কি এতই দৈন্যদশা? 

এ ব্যাপার টি নিয়ে তাঁহার ও তাঁহার দলের শীর্ষ নেতাদের এত মাথা ব্যাথা শুরু হলো, শেষ পর্যন্ত প্রধান মন্ত্রী সংসদে দাঁড়াইয়া পুনরায় এই কথাগুলি ব্যক্ত করলেন এবং বিএনপির গঠনতন্ত্রের নিয়মাবলি পর্যন্ত পড়ে শুনালেন। 

অন্য একটি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ব্যাপার নিয়ে প্রধান মন্ত্রীর এ রুপ বক্তব্যে অনেকের হাসি মুখে চাপা দিয়ে আটকিয়ে রাখতে কষ্ট হয়েছিল।

প্রধান মন্ত্রীর বিএনপির প্রতি এত দরদ দেখে, বিএনপির তৃর্ণমূলের সাধারন নেতাকর্মী বলছে, আপনাকে এ ভাবে আফসোস করে কোন লাভ হবে না, বিনাভোটের সংসদে বক্তৃতা দিয়ে কোন লাভ হবে না। আপনার যখন এই দলের জন্য এতই দরদ ও ভালবাসা,তা হলে বিএনপির একটি সদস্য ফরম পূরন করে জমা দিন। 

মঞ্জুর হলেই আপনি অবজেকশন দিতে পারবেন এবং আপনার কথা মূল্যায়িত হবে এমন কি আপনি নিজেও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হতে পারেন। 

এ কথাগুলি আজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তৃর্নমূল নেতাকর্মীরা বলছে। দুই. বিএনপির চেয়ার পারসন, গণতন্ত্রের প্রতিক, দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা বানোয়াট মামলায় সন্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বন্দী করে রাখে সরকার।

আবার বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ প্রায় সবকটি কর্মসূচিতে পুলিশের বাঁধা প্রদান করা। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুমতি চাহিলে অনুমতি না দেওয়ায়, ২২ ফেব্রুয়ারি নয়া পল্টনের অফিসের সামনে কালো পতাকা প্রদর্শনের কর্মসূচি দিলে তা ও পন্ড করে দেওয়া।

 ঐ দিন সকাল ১০ ঘটিকা থেকে নেতাকর্মী জমায়েত হতে না হতে ই নেক্কার জনক হামলা, লাটি চার্জ এবং জলকামান দিয়ে বিএনপি অফিসের মেইন গেইট পর্যন্ত গরম পানি স্প্রে করা, তাতে-ই শেষ নয় বিএনপির যুগ্ন মহা সচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে ডাকাত ধরার কায়দায় ৪/৫ জন মিলে সাপের মতন বেরি দিয়ে গ্রেপ্তার করা।

বিএনপির যুগ্ন মহা সচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে ডাকাত ধরার কায়দায় ৪/৫ জন মিলে সাপের মতন বেরি দিয়ে গ্রেপ্তার

উনি তো কোন ব্যাংঙ্ক ডাকাত ছিলেন না। ব্যাংঙ্ক ডাকাতরা তো সগৌরবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। উনি সন্মানিত একজন নাগরিক, মানষের অধিকারের কথা বলছেন। মানুষজন ধিক্কার জানিয়েছে। সৈয়দ আলাল সহ প্রায় দেড় শতাধিক নেতাকর্মী দের গ্রেপ্তার করা ও অসংখ্য মহিলা নেতাকর্মী সহ অসংখ্য নেতাকর্মীকে নেক্কার জনক ভাবে আহত করা। 

আর পরক্ষনে সরকারী দলের সাধারন সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা ওয়াবায়দুল কাদের বললেন, ঘরে ও অফিসে বসে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে। আবার ও বলতে হচ্ছে, হাউ ফানি !!!

সে দিন জাতি প্রত্যক্ষ করেছে, এ ফ্যাসিষ্ট সরকার আইয়ুব এহিয়ার বর্বরতাকে ও ক্রস করে ফেলেছে। এই দিন সর্ব স্তরের মানুষ ফ্যাসিষ্ট সরকারকে ধিক্কার জানিয়েছে।


আজ অনেক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক বলছেন, ” হাসিনা সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যাচার ও বানোয়াট মামলায় নির্বাচনের পূর্ব মহুর্ত্তে জেলে দিয়ে এবং বিএনপির বিভিন্ন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাঁধা প্রদান করে,বিশেষ করে দলের কেন্দ্রিয় অফিসের সামনে বর্বরোচিত ও ঘৃর্ণিত হামলা করে কালো পতাকা প্রদর্শন করতে না দিয়ে এবং দলের সাধারন সম্পাদকের বক্তব্যে সরকার প্রমান করলো, 

সরকার বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের সাথে রাজনৈতিক ভাবে মোকাবেলা করতে না পেরে,,,,,,, এই ঘৃর্ণিত বর্বরোচিত কাজগুলি করলো।অর্থাৎ তাদের হাতে খেলার আর কোন কার্ড নেই। সব কার্ড খেলা হয়ে গেছে। এখন কিন্তু সব কার্ড চলে গেছে জনতার হাতে। যার মাল তার হাতে চলে গেছে।

তিন. আজ হাজার কোটি টাকার দুর্ণীতির সাগর নিয়ে সরকারী দলের নেতারা ইনসাফের কথা বলে বড় বড় বাণী প্রসব করছেন। সরকারী দলের যুগ্ন সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ কুষ্টিয়ার এক অনুস্টানে বেগম জিয়াকে দুর্ণীতি পরায়ন হিসাবে আখ্যায়িত করে বলেন, দেশের জনগন বিএনপির এ সব দুর্ণীতিবাজ ও সন্ত্রাসী কে কারাগারে দেখতে চায়।

আর তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু কুষ্টিয়ার অনুষ্টানে বললেন,” বিএনপির নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এতিমের টাকা আত্নসাতের দায়ে এখন জেল হাজতে,তিনি একজন চিহ্নিত অপরাধী। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন অপরাধী অংশ নিতে পারবে না। এখন প্রশ্ন হলো, তা হলে আগামি সংসদ নির্বাচনে কারা ফেরেস্তা হয়ে বসে আছেন তাদের একটু দেখে আসি।

১/শেখ হেলাল গত পাঁছ বছরে আয় বেড়েছে ১০গুণ। ২/নূর-এ-আলম চৌধরী সম্পদ বেড়েছে পাঁছ বছরে ৬৭ গুণ। ৩/ মাহবুব-উল-আলম-হানিফ পাঁছ বছরে ৭০ একর জমি। ৪/ শেখ ফজলে নূর তাপস পাঁছ বছরে সম্পদ বেড়েছে ২৯ গুণ। ৫/ শেখ সেলিম সম্পদ বেড়েছে ২ গুণ।

 ৬/ কাজী জাফরুল পাঁছ বছরে ১০০ কোটি টাকার সন্পদ। ৭/ এডঃ কামরুল ইসলাম পাঁছ বছরে আয় বেড়েছে ৮০গুণ। উল্লেখ্য, এখানে যারা আছেন বেশীর ভাগ কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ট আত্নীয়। এই গুলা সরকারী হিসাবে বিভিন্ন পত্রিকার রির্পোট। 

এই ভাবে শত শত নেতারা হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তা হলে ওদেরকে এখন কি বলবেন? অপরাধী না ফেরেস্তা? নিশ্চয় এই ফ্যাসিষ্ট সরকারের ভাষায় ওরা ফেরেস্তা। আর বাকীরা সব অপরাধী?

ওরা-ই কি আগামী সংসদ নির্বাচনের বর?

চার. পাঠক, বাংলাদেশের অন্যতম সংবিধান প্রণেতা ও বিশিষ্ট আইনজীবি ডঃ কামাল হোসেন এক সেমিনারে বললেন, সংবিধান বলে জনগন ই দেশের মালিক কিন্তু বাংলাদেশ নামক রাষ্টটি এখন বেদখল হয়ে গেছে। তাই তিনি বলছেন,” আমি দেশের মানুষকে বলছি, আপনারা নেমে আসুন, মালিকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হোন।

আর সময়ের সাহসী সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবি ও দেশপ্রেমিক অধ্যাপক বদরুদ্দিন ওমর সম্প্রতি কলকাতায় সাংবাদিকদের সাথে এক আলোচনা প্রসঙ্গে বললেন,” আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা একজন ক্রিমিনাল! She is a চোর! সে, তাঁর বেটা, ও তাঁর বোন দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা 

দুর্ণীতির মাধ্যমে লোপাট করেছে, এখনও করছে। তাঁরা যেটা করছে, সেটা-ই আবার জনগনকে করতে মানা করছে। সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে বললেন,” রাষ্ট-ই বড় সন্ত্রাসবাদী, তাঁরা গুম করছে, খুন করছে, জেলে মার্ডার করছে, ক্রস ফায়ারে মারছে!! We are all Bangladeshis are ruled by fassist and criminals.

পাঁছ. পাঠক এ পর্যন্ত পৃথিবীতে যত ফ্যাসিষ্ট এসেছে, তাদের রুপ, গন্ধ ও লক্ষ্য ছিল এক। তাদের মূল কাজ হলো, একনায়ত্ব প্রতিষ্টা করা এবং কলে বলে কৌশলে মিডিয়া আয়াত্ব করা এবং মতের বিরোধী প্রতিষ্টান, দল বল ও বিভিন্ন শ্রেণীর লোকজনদের জেলজুলুম,নির্যাতন, ফাঁসি ও গুমখুনের মাধ্যমে রাষ্ট পরিচালনা করা । পরিশেষে কিন্তু সব-ই ব্যর্থ হয়।

 দুনিয়াতে অনেক জাদরেল ফ্যাসিষ্ট এসেছেন কিন্তু কেউ- টিকে থাকতে পারেন নাই। তারা সবাই-ই ইতিহাসে কালো পাতায় আটকা পড়ে গহীন গহ্বরে পতিত হয়েছেন। তার-ই জ্বলন্ত প্রমান,,,,আজ থেকে আট বৎসর পূর্বে ২০১০ সালে ২৩ বছরের স্বৈরশাসক জয়নুল আবেদীন বিন আলী বিদায় হলো

 তিউনিসিয়া থেকে। এই তো সে দিন ৩০ বছরের স্বৈরশাসক হোসনে মোবারক তাহরির স্কয়ারে মাত্র তিন সপ্তাহের গন আন্দোলনের মুখে লজ্জ্যা জনক বিদায় নিলো মিশর থেকে।

এ ছাড়া লৌহ মানব খ্যাত কর্ণেল গাদ্দাফির ৪২ বছর শাসনের করুণ পরিণতি হলো লিবিয়া থেকে। এদের অবিশ্বাস্য ভয়াভহ পরিণতি দেখেছে সারা বিশ্ব। আর বাংলাদেশ দেখেছে, আইয়ুব-এহিয়ার পতন, শেখ মুজিবের বাকশালীয় পতন ও এরশাদ স্বৈরাচারের পতন। 

আপোষহীন নেত্রী দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে-ই স্বৈরাচার এরশাদের পতন ঘটিয়ে গনতন্ত্রকে পূনঃউদ্ধার করেছিলেন। বিধির খেলা বুঝা বড় কঠিন,,,,,আজ আবার-ও সেই গনতন্ত্রের জন্য দেশমাতা ৭২ বৎসর বয়সে লড়ে যাচ্ছেন, নির্যাতিত হচ্ছেন,জেলে বন্দী যাপন করছেন!

পতনের অপেক্ষাপাঠক, ৩রা ফেব্রুয়ারী জেলে যাওয়ার পূর্বে শেষ বক্তব্যে লা-মেরিডিয়ান থেকে দেশমাতা জাতির উদ্দেশ্যে বক্তব্যে বলছিলেন, ” আমি যেখানে-ই থাকি না কেন? আমি আপনাদের সঙ্গেই আছি। আমাকে কোন ভয়-ভীতি দেখিয়ে দমাতে পারেনি, পারবে-ও না। আমি দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আছি, দেশের মানুষের সঙ্গে আছি।

 সাহস সঞ্চয় করে, অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হবে। আসুন, সবাই মিলে এই দেশ টাকে রক্ষা করি, গনতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনি।। পাঠক স্বৈরাচার এরশাদের পতনের ২৮ বছর পর-আরেকটি পতনের দিকে তাকিয়ে আছে দেশ। তাই বলছি, জাগ্রত হোন, ঝাঁপিয়ে পড়ুন, খেলার সব কার্ড কিন্তু এখন জনতার হাতে, আরেকটি পতনের অপেক্ষায় জাতি।

লেখকঃ
লেখক ও কলামিস্ট
সায়েক এম রহমান

‘আপনি কি পাবলিকের লগে মশকরা করেন মন্ত্রী মশাই?’

No comments
সারাদেশে মাদকবিরোধী অভিযান চলছে। প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন জেলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ীদের নিহতের খবর আসছে।

 তবে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ থাকার পরও কক্সবাজার-৪ টেকনাফ-উখিয়া আসনের এমপি আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

কেন বদির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না-এই প্রশ্নের জবাবে সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সাংবাদিকদের বলেন, সংসদ সদস্য বদির বিরুদ্ধে অভিযোগ আমাদের কাছে আছে। আমরা সেই অভিযোগগুলো সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিচ্ছি। 

বদিসহ অন্য মাদক ব্যবসায়ীদের বিষয়ে আপনাদের কাছেও কোনও তথ্য থাকলে আমাদের দিন। বদির বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, তথ্য-প্রমাণ নাই।

এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছে লেখক ও ব্লগার পিনাকী ভট্টাচার্য।

তিনি লিখেছেন- সরকারি তদন্তেই বদির বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসার সংশ্লিষ্টতার তথ্য আছে, এরপরেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অভিযোগ আছে কিন্তু প্রমাণ নাই। তিনি পাবলিককে প্রমাণ থাকলে জমা দিতে বলেছেন।

সরকারী তদন্ত তাহলে কেন করা হয়েছিল? অভিযোগ প্রমাণের দায় কেন জনগনের হবে? আপনারা সিন্দাবাদের ভুতের মত জবরদস্তি করে পাবলিকের ঘাড়ে চাইপা বসে আছেন আর দুর্বৃত্তকে রক্ষার জন্য সরকারি কর্তব্যকে উপেক্ষা করে পাবলিকের কাধে দায়িত্ব দিতে চান কেন?

আপনি কি পাবলিকের লগে মশকরা করেন মন্ত্রীমশাই?

উৎসঃ আস

“তাদের যখন মন্ত্রীত্ব চলে যাবে, তখন কি তারা মোবাইল রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিয়ে যাবেন?”

No comments
দেশের মাননীয় মন্ত্রীদের এবার রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে মোবাইল ফোন কিনে দেওয়া হবে। সোমবার (২১ মে ২০১৮) বিষয়টি কেবিনেট মিটিংয়ে অনুমোদন করা হয়েছে। 

বলা হয়েছেÑ প্রত্যেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিব এই মোবাইল ফোন কেনা বাবদ ৭৫ হাজার টাকা করে পাবেন (আফসোস, উপমন্ত্রী আর এমপিগণ নেই এই তালিকায়)। 

মন্ত্রিপরিষদ সচিব অবশ্য জানিয়েছেন, আগে থেকেই টেলিফোন বাবদ মন্ত্রী-সচিবদের একটা বরাদ্দ ছিল, ২০০৪ সালে সেটা ছিল ১৫ হাজার, 

এখন বাড়িয়ে করা হলো ৭৫ হাজার। তবে টাকার অঙ্কটা যা-ই হোক, সেটা কিন্তু যাবে রাষ্ট্রীয় কোষাগার, অর্থাৎ জনগণের পকেট থেকেই ।

কেবিনেট মিটিংয়ে সভাপতিত্ব করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এখানে সকল মন্ত্রী উপস্থিত থাকেন। সে হিসেবে এটি সরকারের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠক। 

এই বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো তাই রাষ্ট্রীয় জনগুরুত্বসম্পন্ন হবেÑ এটাই স্বাভাবিক। মন্ত্রী, সচিবদের এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন থাকাটা নিশ্চয়ই গুরুত্বপূর্ণ, না হলে তারা প্রযুক্তির এ উন্নতির যুগে বিভিন্ন জনের সঙ্গে কথা বলবেন কিভাবে?

কিন্তু আমি ভাবছি অন্য কথা, কিছু বেয়াড়া টাইপ প্রশ্নও জাগছে মনে। তাহলে কি এতদিন মন্ত্রী সচিবদের কোনো এন্ড্রয়েড মোবাইল সেট ছিল না? মন্ত্রী বা সচিবদের কাছে থেকে দেখার সুযোগ মাঝে মাঝে আমার হয়।

 আমি নিজে, গত ৫-৭ বছরে, এমন কোনো মন্ত্রী বা সচিবের দেখা পাইনি, যার হাতে এক বা একাধিক এন্ডয়েড সেট নেই।

 বরং দু’একজনকে পেয়েছি, যার হাতে একটি আইফোন আছে, কিন্তু সেটি দিয়ে ‘ধরা এবং করা’ ছাড়া আর কিছু তিনি জানেন না। তাহলে যাদের হাতে এরই মধ্যে এন্ড্রয়েড সেট আছে, তাদেরকেও কি ওই ৭৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে?

কেউ যদি নতুন সেট না কিনে তার পুরানোটাই ব্যবহার করতে চান, তিনিও কি টাকাটা নেবেন? কেউ যদি এরচেয়ে কম টাকায় সেট কেনেন, তিনি কি বাকি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেবেন? 

তাদের যখন মন্ত্রীত্ব চলে যাবে, তখন কি তারা এই সেটগুলো রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিয়ে যাবেন? কারণ, ফোনগুলো তো রাষ্ট্র দিচ্ছে মন্ত্রীকে, উনি যখন মন্ত্রী বা সচিব থাকবেন না, তখন সেটা ওনার হবে কি করে?

সর্বোপরি, ওনাদের কি টাকা পয়সার এতই অভাব যে একটা ফোন কেনার জন্য জনগণের টাকায় হাত দিতে হয়? 

তাহলে যে শুনি এবং দেখি একবার এমপি, মন্ত্রী বা সচিব হতে পারলে পরবর্তী তিন পুরুষের আর কিছু করতে হয় না, সেটা কি নির্জলা ভ্রান্তি? 

জনগণের টাকায় কেনা এই ফোনগুলোর নম্বর কি জনগণ জানতে পারবে? কোনো আমজনতা এই ন¤ারে কথা বলার কি সুযোগ পাবে?কেউ হয়তো পাল্টা প্রশ্ন করতে পারেন, এরকম ছোট একটা বিষয় নিয়ে এত প্রশ্ন আমি কেন করছি?

 আচ্ছা, এই ছোট বিষয়টি নিয়ে মাননীয় মন্ত্রীগণ যদি কেবিনেটে আলোচনা করতে পারেন, তাহলে আমি কর প্রদানকারী একজন নাগরিক হিসাবে আমার অর্থ কোথায়, কিভাবে ব্যয় হচ্ছে সেটা জানতে চাইতে পারব না কেন?
লেখক : কলামিস্ট ও সাংবাদিক, সংবাদ উৎস- আমাদের সময়

এই যে আপু রমজান মাস এত খোলা মেলা ভাবে চলছেন কেন, রোজা রাখেন নাই ?

No comments
.
–কি যে বলেন না ভাই, জিন্স প্যান্ট আর টি শার্ট পরা কি খোলা মেলা হলো ? আর রোজার কথা বলছেন ? রোজা রাখলে তো আমার এত সুন্দর শরীরটা নষ্ট হয়ে যাবে না । আমি তো ভাই মডার্ন মেয়ে ।
॥
॥
— হ্যালো স্যার রোজা রেখেছেন ??
.
— কি যে বলনা । অফিসে কত কাজ কত পরিশ্রম । কত বড় দিন আর গরম, এই গরমে রোজা রাখা যায় । এ সি টাও নষ্ট হয়ে গেছে । রোজা কিভাবে রাখি বল ?
॥
॥
— আসসালামু আলাইকুম ম্যাডাম । কি অবস্থা রোজা রেখেছেন ?
.
— নো বয় রোজা রাখি না শরীরটা সামান্য খারাপ, আর এত বড় সংসার মেন্টেন্ড করতে হয় কিভাবে রোজা রাখি বল । স্বাস্থ্যের দিকেও তো লক্ষ্য রাখতে হয় ।
॥
॥
— হায় ইয়াং বয় সারাদিন টই , টই করে কোথায় ঘুরে বেড়াও ? রোজা রেখেছ ?
.
— কি যে বলেন না বড় ভাই, এখন কি রোজা রাখার বয়স । আর একটু বড় হই তাছাড়া রোজা নামাজ তো হুজুর মোল্লাদের কাজ ।
॥
॥
— এই যে রিকশাওলা ভাই রোজা রেখেছেন ??
.
–জে ভাই রোজা রাখছি
.
— এই আগুনের মত গরমের ভিতরে রিকশা চালিয়ে রোজা রাখতে কষ্ট হয় না ?
.
— জ্বি ভাইজান সামান্য কষ্ট তো হয়ই কিন্তু এই কষ্ট না করলে তো জাহান্নামের বিশাল আগুনে জ্বলন লাগবো
॥
॥
— এই যে গার্মেন্টসের আপুরা তোমরা কি রোজা রেখেছ ?
.
–জ্বি ভাইয়া রোজা রাখছি
.
— এসি ছাড়া রুমে গরমের ভিতর এত পরিশ্রম করে কাজ কর রোজা রাখতে কষ্ট হয় না ?
.
— ভাইয়া… কবরের ভিতরে তো এসি নাই, সেই কথা তো স্বরন রাখা লাগব
॥
॥
— খালাম্মা ভালো আছেন ? আপনার শরীর তো খুব কাহিল লাগতেছে । রোজা রেখেছেন ?
.
— হ বাবা রোজা রাখছি
.
— আপনার না ডাইভেটিস, হাই প্রেসার , বাতের ব্যথা আরো কত রোগ । এছাড়া আপনার মধ্যবিত্ত সংসার কত গুলো ছেলে মেয়ে । শরীর খারাপ নিয়ে এত বড় সংসার মেন্টেন্ড করে রোজা রাখেন কিভাবে ?
.
— শরীর স্বাস্থ্য আর সংসারের চিন্তা করিনা, চিন্তা করি আখেরাতের । মরা তো লাগব এক দিন ।
॥
॥
— এই যে বাবু তুমি তো মাদ্রাসায় পড় । তোমার বয়স কত, তুমি কি রোজা রেখেছ ?
.
— আমার বয়স সাত বছর, হুজুর বলছে আট বছর থেকে রোজা রাখতে হয়, কিন্তু এখন থেকেই অভ্যাস করতেছি । আমরা তো মুসলমান তাই না ?
॥
॥
প্রিয় পাঠক এই হলো আমাদের মুসলিম দেশের চিত্র । পুথিগত শিক্ষা অর্জন করলেই শিক্ষিত হওয়া যায় না । মডার্ন মেয়ে, অফিসের স্যার , বাড়ির ম্যাডাম আর ইয়াং বয় সবাই শিক্ষিত সমাজের মানুষ কিন্তু প্রকৃত পক্ষে আপনি কাদের শিক্ষিত বলবেন ? ?

আমি তো বলি রিকশাওলা, গার্মেন্টসের মেয়েরা, অসুস্থ খালাম্মা আর ছোট্ট মাদ্রাসায় পড়ুয়া ছেলে তারাই বেশি শিক্ষিত কারণ তাদের ভিতর আছে ইসলামের আলো, আখেরাতের এবং আল্লাহ প্রতি ভয় । আছে মৃত্যু চিন্তা ।
আল্লাহ প্রতি সামান্য তম ভয় ঐসব হাজার শিক্ষিত নর নারী থেকে উত্তম ।

ফাঁসির অাগে গোলাম মাওলা রনীকে একটা ছোট্ট চিরকুটে যা বলে গেলেন শহীদ কাদের মোল্লা

No comments
অান্তর্যাতিক ট্রাইবুনাল কতৃক কথিত যুদ্ধপরাধী মামলায় ফাঁসির সাজা প্রাপ্ত বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি জনাব কাদের মোল্লা কে ১২ ডিসেম্বর ২০১৩ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যদন্ড কার্যকর করা হয়।

মৃত্যের অাগে অাওয়ামীলীগের সাবেক এমপি গোলাম মাওলা রনির সাথে দেখা হয় একই কারাগারে থাকার সুবাদে দেখা । 

জামিন হওয়ার অাগে মিষ্টার রনিকে ছোট্ট একটি চিরকুটে শহীদ মোল্লা তার অবস্থান সম্পর্কে জানান পরবর্তিতে কাদের মোল্লার ফাঁসির পরে মিষ্টার রনী কাদের মোল্লার সেই ছোট্ট চিরকুটা তার ফেসবুক পাতায় প্রকাশ করেন..

নিচে সেই ছোট্ট চিরকুটে শহীদ মোল্লার বলা কথা গুলো তুলে ধরা হল…

প্রিয় রনি, যদি কখনো সময় পাও এবং তোমার ইচ্ছা হয় তবে আমার ফাঁসির পর একবার হলেও বলো বা লিখো– 

কাদের মোল্লা আর কসাই কাদের এক ব্যক্তি নয়। আমার আত্মা কিয়ামত পর্যন্ত কাঁদবে আর কসাই কাদের তখন কিয়ামত পর্যন্ত হাসবে। কাদের মোল্লা।