বিএনপির সংবাদ সম্মেলন বিকেলে

No comments
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (২৪ জুন) বিকেল ৫টার দিকে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান সাংবাদিকদের সংবাদ সম্মেলনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংবাদ সম্মেলনে তিনি আসন্ন গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরবেন। সেখান স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।

খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত শুনানি আজ

No comments

কুমিল্লার দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের ওপর শুনানির জন্য রোববার (২৪ জুন) দিন ধার্য করেছে আপিল বিভাগ।
দুটি প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আজকের কার্যতালিকার ৯ ও ১০ নম্বরে রয়েছে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় নিম্ন আদালতের সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার করা আপিলের ওপর শুনানি শুরুর জন্য রোববার হাইকোর্টে আবেদন জানাবে দুদক। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহীমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদন করা হবে।

সাবেক শিবির সভাপতিসহ দেড়শ’ নেতাকর্মী আটক

No comments

চট্টগ্রামে ‘গোপন বৈঠক’ থেকে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি আ জ ম ওবায়দুল্লাহসহ জামায়াত-শিবিরের প্রায় দেড়শ’ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার সন্ধ্যার পর নগরীর স্টেশন রোডে অবস্থিত পর্যটন করপোরেশন নিয়ন্ত্রিত ‘মোটেল সৈকত’ হোটেলে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে তাদের আটক করা হয়।

তবে পুলিশের দাবি, ওই হোটেলে গোপন বৈঠক করছিল জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হোটেলের এক কর্মকর্তা বলেন, গোপন বৈঠক নয়, দুপুর থেকে পারাবার সাংস্কৃতিক শিল্পী গোষ্ঠীর পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করছিল তারা।

এ বিষয়ে সিএমপি কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহসিন বলেন, আটকের সংখ্যা এখন নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না। আটক সবাইকে থানায় আনা হয়েছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

বেগম খালেদা জিয়ার রায় গভীর ভাবে পর্যবেক্ষন করছে জাতিসংঘ।

No comments
বাংলাদেশের ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় এবং রায়-পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে জাতিসঙ্ঘ । 

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতিসঙ্ঘ সদর দফতরে দেয়া নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান জাতিসংঘ মহাসচিবের ডেপুটি মুখপাত্র ফারহান হক। 

নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ের শুরুতেই প্রশ্নোত্তর পর্বে বাংলাদেশের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরেন জাতিসংঘ সংবাদদাতা ইমরান আনসারী। 

এসময় তিনি বলেন, আপনি নিশ্চয়ই জানেন যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের প্রধান নেতা বেগম খালেদা জিয়াকে দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এ রায়ের প্রতিবাদ জানাতে লাখো লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে । প্রতিবাদ বিক্ষোভ বন্ধে সরকার ১৪৪ ধারা জারি করেছে। 

তাজা গুলি বর্ষণ করা হচ্ছে। গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুসারে হাজারো নেতা কর্মীদের আটক করা হয়েছে। আপনি আরো জেনে থাকবেন যে আগামী ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে। 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন বেগম খালেদা জিয়া ও তার পুত্র তারেক নির্বাচন থেকে বিচ্ছিন্ন করতেই এ রায় দেয়া হয়েছে। 

এমনি বাস্তবতায় জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব এবিষয়ে কোনো উদ্যোগ নিয়েছেন কিনা? এছাড়া রাজনৈতিক এ সংকট নিরসনে তিনি কোনো বিশেষ দূত বাংলাদেশে পাঠাবেন কিনা?


জবাবে ফারহান হক বলেন, বিষয়টি বিষয়টি মাত্রই আমাদের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। খালেদা জিয়ার আটকের বিষয়টি উদ্বেগজনক। 

বিষয়টির পেছনে কী আছে তা আমরা পর্যবেক্ষণ করে দেখছি। এবিষয়ে জাতিসঙ্ঘ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে।

 তিনি আরো বলেন, আমরা সহিংসতার জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করছি। উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

ঐ সময় সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারী জানতে চান, বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এ রায়ের পর আর কি কোনো আশা আছে বাংলাদেশে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হবার?

 জবাবে ফরহান হক বলেন, এ রায়ের প্রভাব কী হবে তা আমরা বিচার বিশ্লেষণ করে দেখছি। তবে বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পক্ষে জাতিসংঘের অবস্থান। 


সাংবাদিক মাথিউ জানতে চান , বাংলাদেশে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রায়ই অভিযোগ শোনা যায় বিক্ষোভ দমাতে তারা তাজা বুলেট ব্যবহার করে।

 আবার এসব সদস্যদের শান্তিরক্ষী মিশনে মোতায়েন করা হয়। জবাবে ফরহান বলেন, শান্তিরক্ষী মিশনে মোতায়েনের ক্ষেত্রে জাতিসঙ্ঘ তার মানদণ্ড বজায় রেখে চলে।

শেখ মুজিবও ১৯৬০ সালে দুর্নীতির অভিযোগে আড়াই বছর সাজাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন।

No comments
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের  কথিত দুর্নীতির মিথ্যা মামলায় দেশের প্রধান বিরোধীদলের নেত্রী ও ৩ বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গত বৃহস্পতিবার ৫ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে সরকারের বিশেষ একটি আদালত।

এ মামলায় খালেদা জিয়ার জেল হবে, তাকে কারাগারে যেতে হবেই এমন কথা সরকারের মন্ত্রী-এমপি ও সরকারদলীয় নেতারা বিগত ২ বছর ধরেই বলে আসছেন।

 বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার পরও দেখা গেছে সরকারের মন্ত্রীদের দেয়া বক্তব্যের সঙ্গে বিচারক ড. আখতারুজ্জামানের আদালতের রায়ের হুবহু মিল রয়েছে।

এতদিন খালেদা জিয়া ও বিএনপি নেতারা যে অভিযোগ করে আসছিলেন যে সরকারের নির্দেশনার আলোকেই রায় হবে। বিচারক স্বাধীনভাবে রায় দিতে পারবেন না।

সরকার খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়ার জন্যই রাজনৈতিক বিচার করছে। বিশিষ্টজনেরা মনে করছেন বিএনপির এসব অভিযোগ সত্য ছিল।

এদিকে রায়ের পরই আজ আওয়ামী লীগ নেতারা খালেদা জিয়াকে সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে আখ্যায়িত করতে শুরু করেছেন। সংসদে আওয়ামী লীগ এমপিরা বলেছেন, এ রায়ের মাধ্যমে জিয়া পরিবারের সমাপ্তি ঘটেছে। আর ঐদিনই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাতো বরিশালে এক জনসভাতেই বলেছেন- কোথায় আজ খালেদা জিয়া ?

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খালেদা জিয়ার সাজাটি একান্তই শেখ হাসিনার ইচ্ছাতে হয়েছে। খালেদা জিয়াকে দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে আখ্যায়িত করার লক্ষ্যেই এ মামলায় ৫ বছরের সাজা দেয়া হয়েছে।


তবে, শেখ হাসিনা আজ খালেদা জিয়াকে সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে আখ্যায়িত করলেও অ্যানালাইসিস বিডির অনুসন্ধানে জানা গেছে তার বাবা শেখ মুজিবুর রহমানও ১৯৬০ সালে সমাজকল্যাণ মূলক একটি প্রতিষ্ঠানের টাকা আত্মসাতের দায়ে একই আইনে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন।

ওই মামলার রায়ের কপি থেকে জানা গেছে, পশ্চিম পাকিস্তান গভর্নরের অধীনে পরিচালিত ‘আরবান কমিনিউটি প্রজেক্ট এন্ড ভিলেজ এইড’ প্রতিষ্ঠানে শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৬ সালে ৭ সেপ্টেম্বরে নিয়োগ পান।

অর্থ আত্মসাতের দায়ে তিনি ১৯৫৭ সালের ৭ আগস্ট পদত্যাগ করেন। অর্থ আত্মসাতে তার সহযোগী ছিলেন কাজী আবু নাসের।

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ওই সময় দুর্নীতি দমন আইন ১৯৪৭ বিধির ৫ (২) ধারায় শেখ মুজিব ও আবু নাসেরের বিরুদ্ধে মামলা হয়।

 ১৯৬০ সালে এ মামলার রায়ে শেখ মুজিবুর রহমানকে ২ বছরের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

খালেদা জিয়ার রায়ের পর আজ অনেকেই শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদেরকে শেখ মুজিবের সেই সাজার কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন।

কেউ কেউ শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্যে করে বলছেন, খালেদা জিয়াকে সাজাপ্রাপ্ত আসামি বলার আগে আপনার বাবার সাজার কথাটা একবার স্মরণ করুন।

আপনার বাবা প্রকৃত অর্থেই গ্রামের অসহায় মানুষের টাকা আত্মসাত করেছিলেন। আর খালেদা জিয়া কোনো টাকা আত্মসাত করেন নি। রাজনৈতিক কারণে তাকে সাজা দেয়া হয়েছে।

‘আ’লীগ নেতারা শোনে কম, বলে বেশি’

No comments
আওয়ামী লীগ নেতারা শোনে কম, বলে বেশি। আর বিএনপির নেতারা বলে কম শোনে বেশি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শনিবার (২৩ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘আওয়ামী নেত্রী ক্ষমতায় চিরস্থায়ী থাকার গ্যারান্টি হিসেবে পাশবর্তী দেশকে নিজের দেশের সার্বভৌমত্ব দখল করে অনেক কিছু উজাড় করে দিয়েছেন।

 অন্যদিকে বিএনপি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার জন্য জনগণের ওপর নির্ভর করে। সুতরাং বিএনপির প্রক্রিয়া আর আওয়ামী লীগের প্রক্রিয়া এক নয়। আওয়ামী লীগ নেতারা শোনে কম, বলে বেশি। আর বিএনপি নেতারা বলে কম, শোনে বেশি।’

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র নেতা বলেন, ‘বর্তমান সরকার বিএনপির মতো নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসী নয়। দলের কর্মীদের এ কথা মাথায় রাখতে হবে।’

‘প্রধানমন্ত্রী অকপটে সত্য কথাই বলেছেন। অবশ্যই বিএনপির মতো নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস করে না আওয়ামী লীগ।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, আওয়ামী লীগ একদলীয় বাকশালে বিশ্বাস করে। বিএনপি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনে নিশ্চয়তা দেয়, আওয়ামী লীগ ফেনী মার্কা নির্বাচন, হাজারী মার্কা নির্বাচন, প্রতিদ্বন্দিতাহীন নির্বাচনে বিশ্বাস করে।’

রিজভী আরও বলেন, ‘বিএনপি বহুদল ভিত্তিক মতামতে বিশ্বাস করে, আওয়ামী লীগ তাদের বিরুদ্ধ মতের লোকদের গুম করে। 

আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে অকুতোভয় উচ্চারিত কুৎসীত, অসংযোমী বাক্যবিলাশে লিপ্ত আর বিএনপি সৌজন্যবোধ ও হিতাহীত জ্ঞান সম্পন্ন বক্তব্য বিবৃতি প্রদান করে।’

‘আওয়ামী লীগ নির্বাচন কমিশনকে নিজেদের ভোট কারচুপির সীলমোহর বানায়’ বলেও অভিযোগ করেন রিজভী। তিনি দাবি করেন, ‘বিএনপি কমিশনের স্বাধীন সত্ত্বা কখনোই ক্ষুন্ন করেনি। 

গণতান্ত্রিক পদ্ধতির প্রধান শর্ত আলোচনা ও সংলাপ যা আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করে না। বিএনপি সমঝোতার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি অব্যাহত রাখায় বিশ্বাসী।’

গাজীপুরে ধানের শীষের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যদের গ্রেফতারের অভিযোগ

No comments
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ২০ দলীয় ঐক্যজোট মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির ১৩ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।


 রিজভী বলেন, কাশিমপুর ও কোনাবাড়িসহ সকল অঞ্চলে ২০ দলীয় জোটের সকল নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বাসা-বাড়িতে পুলিশ প্রতিদিনই হানা দিচ্ছে। 

বিশেষ করে নির্বাচন পরিচালনার সাথে সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মী-সমর্থকদের তালিকা ধরে গ্রেফতারের চেষ্টা করছে পুলিশ। এতে নেতাকর্মীরা ভয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনকে 

লিখিতভাবে জানানোর পরও পুলিশের গ্রেফতার অভিযান এখনো অব্যাহত আছে।

গণভবনে আওয়ামী লীগ পার্লামেন্টারি বোর্ডের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা এতদিনে উপলব্ধি করেছেন যে, তার এবং সরকারের প্রতি ভোটারদের আস্থা নেই। 

এখন প্রধানমন্ত্রীর আর একটু উপলব্ধি করতে পারলে দেশের গণতন্ত্রের জন্য মঙ্গলজনক হবে। সেটি হলো, নিজের ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। তাহলেই কেবলমাত্র কিছুটা ভোটারদের আস্থা ফিতে আসতে পারে।