মুগাবের আটকে আতঙ্কে হাসিনা: ফখরুলের কাছে ওবায়দুলকে প্রেরণ!

No comments

আফ্রিকান রাষ্ট্র জিম্বাবুয়ের রাষ্ট্রপতি ৩৫ বছরের একনায়ক রবার্ট মুগাবেকে গৃহবন্দী করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। ঘটনা ১৫ নভেম্বরের। 

মুগাবেকে পদত্যাগ করতে হবে। সেনাবাহিনী আগামীকাল দুপুর পর্যন্ত তাকে সময় দিয়েছে। এরি মাঝে মুগাবেকে বহিস্কার করেছে তার পার্টি। 

সেনাবাহিনী চেয়েছিল সামরিক শাসন জারী করতে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন না করায় বেসামরিক শাসনের দিকেই যাবে দেশটি। এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

মুগাবের এই ঘটনায় আঁতকে উঠেছে বাংলাদেশের বিনা ভোটের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার অবস্থা মুগাবের মত হতে পারে, সেই ভয় তাকে চেপে বসেছে। তাই তড়িঘড়ি করে তার দলীয় সাধারন সম্পাদককে পাঠায় বিএনপি মহাসচিবের কাছে। 

আকস্মিকভাবে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে মীর্জা ফখরুলের কাছে হেটে গিয়ে ওবায়দুল কাদের শুরু করেন, “ঢাকা এয়ারপোর্টে আপনার জন্য অপেক্ষা করেছিলাম। 

কিন্তু শুনলাম আপনি আসছেন না। একসঙ্গে এলে ভালো হতো। কথা বলা যেত। তিনি বলেন, যেহেতু রাজনীতি করি, আলাপ–আলোচনার পথ খোলা রাখা ভালো। কথা হওয়াও দরকার।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কোনো কাকতালিয় ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত। মির্জা ফখরুল বিমান বদল করেও মাফ পাননি। ওবায়দুল ঠিকি তাকে খুঁজে বের করেছে।

অনেকদিন ধরেই একটা গুজব চাউর হয়েছে- শেখ হাসিনা সেনাবাহিনীর নজরবন্দী আছেন। গত দু’মাস ধরে তাঁর গতিবিধি নিয়ন্ত্রিত। তিনি অফিস করছেন না, বাইরের সব প্রোগ্রাম বন্ধ। কেবল সংক্ষিপ্ত মন্ত্রিসভা বৈঠক ও একনেক বৈঠকে হাজির থাকেন। বাসায় ফিরেই আবার সালোয়ার কামিজ বেশ ধরেন। ভেতরে পড়েন বুলেট প্রুফ জ্যাকেট!

গত সপ্তাহের বিডিপলিটিকো রিপোর্ট করেছে, সেনাপ্রধান জেনারেল বেলালের কমান্ডে গোটা সেনাবাহিনী ঐক্যবদ্ধ আছে। 

সিনিয়র সেনা কমান্ডাররা বেঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে- তারা কোনো ব্যক্তিকে রক্ষার জন্য কাজ করবে না, বরং দেশ বাঁচাবে।

এরপর থেকে অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভয় ঢোকে, মুগাবের পরিস্থিতি হতে পারে তার। তবে সেনাবাহিনী ক্ষমতা নিলে পিলখানা হত্যায় দায়ে তার হবে ফাঁসি। 

আর সেনা শাসন এড়াতে হলে বিএনপির সঙ্গে আপোষ করেই বাঁচা সম্ভব। সে জন্যই ওবায়দুল কাদেরের মত অভদ্র লোক হয়েও বাধ্য হয়েছে ফখরুলের কাছে যেতে!সরকারের এই দুর্দশায় একটা আলোচনা করে জানটা বাঁচতে চায় তারা। সেটা মুখে বলতে পারছে না। 

তাই এয়ারপোর্ট নাটক করা হয় পরিকল্পিতভাবে। এরপরে আলোচনার প্রস্তাব আসতে পারে। এমনকি হাসিনা ফোন করতে পারে বেগম জিয়াকে।

আসন্ন ডিসেম্বরের মধ্যে হাসিনাকে অবৈধ ক্ষমতা ছাড়তেই হচ্ছে। এখন আর সেটা বিএনপি চেয়ারপারসনের অনুকম্পা নিয়ে করলেই তা শান্তিপূর্ন হতে পারে। সে চেষ্টা হাসিনা যেমন করছে, তেমনি বেগম জিয়াও বার বার আশ্বস্ত করছেন – মাফ করে দেব।

No comments :

Post a Comment